প্রিন্ট এর তারিখ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দেশের অর্থ বিদেশে যাচ্ছে থামছে না অর্থপাচার
সংবাদ দিগন্ত ||
দেশ থেকে নানা উপায়ে অর্থপাচারের প্রবণতা পুরোপুরি থামছে না। দেশের অর্থ বিদেশে গিয়ে বাড়ি গাড়ি জমি ফ্ল্যাট ব্যবসা ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক সম্পদে রূপ নিচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ।বিশেষজ্ঞদের মতে, অর্থপাচারের পাশাপাশি দেশে বৈধ বিনিয়োগের পরিবেশ তৈরি করা জরুরি। কারণ দেশের উদ্যোক্তা ও সঞ্চয়কারীদের অর্থ যদি উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ না হয়ে বিদেশে চলে যায় তাহলে কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিও বাধাগ্রস্ত হয়।গ্লোবাল ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটির তথ্য অনুযায়ী, ২০১৩ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে বাণিজ্যভিত্তিক অবৈধ অর্থপ্রবাহের পরিমাণ ছিল প্রায় ৬ হাজার ৮৩০ কোটি ডলার।অন্যদিকে বাংলাদেশের অর্থনীতির ওপর শ্বেতপত্র কমিটির হিসাবে ২০০৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে প্রায় ২৩ হাজার ৪০০ কোটি ডলার পাচার হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।আরও পড়ুন, বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি ৩৩ বছরের মধ্যে সর্বনিম্নএদিকে বিএফআইইউর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে সন্দেহজনক লেনদেন ও কার্যক্রমের রিপোর্ট বেড়ে ৩০ হাজার ১৯৯টিতে দাঁড়িয়েছে। এক বছরে এসব রিপোর্ট বেড়েছে ৭৪ শতাংশ।অর্থপাচারের বিভিন্ন পদ্ধতির মধ্যে রয়েছে ওভার ইনভয়েসিং ও আন্ডার ইনভয়েসিং, ভুয়া আমদানি-রপ্তানি, পণ্যের মূল্য ও পরিমাণে মিথ্যা তথ্য এবং হুন্ডির মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অর্থপাচার বন্ধে শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার অভিযান যথেষ্ট নয়। ব্যাংকিং তথ্যের সঙ্গে কাস্টমস ও করের তথ্য সমন্বয়, প্রকৃত মালিকানা শনাক্ত এবং বিদেশি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে তথ্য বিনিময় বাড়াতে হবে।একই সঙ্গে দেশে বিনিয়োগের পরিবেশ নিরাপদ ও পূর্বানুমানযোগ্য করতে হবে। তাহলেই দেশীয় সঞ্চয়কে উৎপাদনশীল বিনিয়োগে ফেরানো সম্ভব হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত