প্রিন্ট এর তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
একনেকে উঠছে ৪৫ হাজার কোটি টাকার মেট্রোরেল প্রকল্প
সংবাদ দিগন্ত ||
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির একনেক সভা চলছে। বুধবার ১৬ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে এ সভা শুরু হয়।একনেকের আজকের এজেন্ডায় রয়েছে গাবতলী থেকে দাশেরকান্দি পর্যন্ত এমআরটি লাইন-৫ সাউদার্ন রুট নির্মাণের প্রকল্প। ৪৫ হাজার ৫০৩ কোটি ৭৭ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের প্রস্তাব করা হয়েছে।পরিকল্পনা কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ১৭ দশমিক ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই মেট্রোরেলের ১৩ দশমিক ১০ কিলোমিটার থাকবে পাতালপথে এবং ৪ দশমিক ১০ কিলোমিটার হবে উড়ালপথ। রুটে থাকবে ১৫টি স্টেশন। এর মধ্যে ১১টি পাতাল এবং চারটি উড়াল স্টেশন।গাবতলী থেকে টেকনিক্যাল, কল্যাণপুর, শ্যামলী, কলেজ গেট, আসাদ গেট, শুক্রাবাদ, কারওয়ান বাজার, হাতিরঝিল, তেজগাঁও ও আফতাবনগর হয়ে দাশেরকান্দি পর্যন্ত যাবে এই মেট্রোরেল। পুরো পথ যেতে সময় লাগতে পারে প্রায় ২৮ মিনিট।প্রকল্পের প্রস্তাব অনুযায়ী, শুরুতে ছয়টি কোচের ১৯টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে। প্রতিটি ট্রেনে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৯০৮ জন যাত্রী পরিবহনের সক্ষমতা থাকবে। প্রকল্পটি চালু হলে প্রতিদিন প্রায় ৯ লাখ ২৪ হাজার যাত্রী এই রুটে চলাচল করতে পারবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।আরও পড়ুন, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষায় মালয়েশিয়া যাচ্ছেন মির্জা আব্বাসপ্রকল্পের মোট ব্যয়ের মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন থাকবে ১৫ হাজার ১৯৭ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। আর ৩০ হাজার ৩০৬ কোটি ১০ লাখ টাকা বৈদেশিক ঋণ হিসেবে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক এবং দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থনৈতিক উন্নয়ন সহযোগিতা তহবিল থেকে।প্রকল্পটির ব্যয় শুরুতে ধরা হয়েছিল ৫৪ হাজার ৬১৮ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন খাত পর্যালোচনা করে ব্যয় কমিয়ে সর্বশেষ ৪৫ হাজার ৫০৩ কোটি ৭৭ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ প্রাথমিক প্রস্তাবের তুলনায় ব্যয় কমেছে ৯ হাজার ১১৫ কোটি ১৯ লাখ টাকা।তবে ব্যয় কমানোর ক্ষেত্রে ঋণের সুদ ও কমিটমেন্ট চার্জের মতো কিছু দায় প্রকল্পের হিসাব থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। ফলে প্রকল্প ব্যয়ের অঙ্ক কমলেও এসব দায় পরবর্তী সময়ে সরকারের নিয়মিত অর্থপ্রদানের আওতায় থাকতে পারে।প্রকল্পটির বাস্তবায়নকাল ধরা হয়েছে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০৩৩ সালের আগস্ট পর্যন্ত। একনেকে অনুমোদন পেলে অর্থায়ন চুক্তি, জমি অধিগ্রহণ ও ঠিকাদার নিয়োগসহ পরবর্তী কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে।তবে প্রকল্পটি আজ একনেকের এজেন্ডায় থাকলেও শেষ পর্যন্ত অনুমোদন দেওয়া হবে কি না তা সভার সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত