প্রিন্ট এর তারিখ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
‘দার-ই-নাজাত’-এ জামিলের দ্বিচারিতা নিয়ে ক্ষুব্ধ দর্শক
সংবাদ দিগন্ত ||
‘দার-ই-নাজাত’—পাকিস্তানের জনপ্রিয় এই ধারাবাহিকের ১৩তম পর্ব ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে তুমুল আলোচনা। বিশেষ করে জামিল চরিত্রের আচরণ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন দর্শকেরা।ধারাবাহিকে দীর্ঘদিনের প্রেমিকা ও শৈশবের ভালোবাসার মানুষ জারিয়াবের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল জামিলের। এমনকি একসময় তাঁরা একসঙ্গে বসবাসও করেছেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত জারিয়াবকে কিছু না জানিয়েই এক মাদ্রাসার অচেনা নারীকে বিয়ে করেন জামিল।বিষয়টি জানতে জারিয়াব যখন জামিলের বাড়িতে যান তখন দুজনের কথোপকথন আবেগঘন হয়ে ওঠে। জারিয়াব জানতে চান হঠাৎ করে কেন সম্পর্ক শেষ করে দেওয়া হলো।জবাবে জামিল দাবি করেন জারিয়াব তাঁর জন্য উপযুক্ত নন। ধর্মের পথে এগিয়ে যেতে তিনি এমন একজন জীবনসঙ্গী চেয়েছেন যিনি ধার্মিক পবিত্র ও নিষ্পাপ।আড়ও পড়ুন,‘সেপারেশন’-এ পরীমনিজামিল আরও দাবি করেন তাঁর তওবা আল্লাহ কবুল করেছেন এবং এর বিনিময়েই ওই নারীকে তাঁর জীবনে পেয়েছেন।জামিলের বক্তব্যে জারিয়াব প্রশ্ন করেন তওবা করার অধিকার কি শুধু পুরুষের? তবে সেই প্রশ্নের সরাসরি জবাব না দিয়ে জামিল ধার্মিক স্ত্রীর গুণাবলি নিয়ে কথা বলতে থাকেন এবং জারিয়াবের মধ্যে সেসব গুণ নেই বলে দাবি করেন।এই দৃশ্যই দর্শকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে। অনেকের মতে ধর্মের কথা বললেও জামিলের আচরণে আত্মঅহংকার ও দ্বিচারিতা স্পষ্ট।অন্যদিকে জারিয়াব চরিত্রে দুরে ফিশান সেলিমের অভিনয়ের প্রশংসা করেছেন দর্শকেরা। হৃদয়ভাঙা নারীর আবেগ তিনি যেভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন তা দর্শকদের বিশেষভাবে নাড়া দিয়েছে।ধারাবাহিকে এমনও দেখা যায় হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে না পারা জামিলকে সান্ত্বনা দিতে জারিয়াব নিজের হার্ভার্ডে ভর্তির সুযোগ পর্যন্ত ছেড়ে দিতে চেয়েছিলেন। সেই জারিয়াবকেই পরে ধর্ম ও নৈতিকতার প্রশ্ন তুলে প্রত্যাখ্যান করেন জামিল।এ কারণে দর্শকদের অনেকে জামিলকে ভণ্ড ও আত্মকেন্দ্রিক চরিত্র হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। কেউ কেউ তাঁকে সম্পর্কের ক্ষেত্রে ‘রেড ফ্ল্যাগ’ হিসেবেও উল্লেখ করছেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত