প্রিন্ট এর তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গ্যাস বিদ্যুৎ সংকট কাটাতে সরকারের বড় পরিকল্পনা
সংবাদ দিগন্ত ||
দেশের চলমান জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট কাটাতে বড় ধরনের কর্মপরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। স্বল্পমেয়াদি সংকট মোকাবিলার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়াতে নেওয়া হচ্ছে একাধিক উদ্যোগ।সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে ১৫০টি কূপ খনন করে দেশীয় উৎস থেকে গ্যাসের উৎপাদন বাড়ানো হবে। পাশাপাশি স্থাপন করা হবে তিনটি এলএনজি টার্মিনাল। এর মাধ্যমে দৈনিক গ্যাস সরবরাহ ৫০০ কোটি ঘনফুটে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।বর্তমানে দেশে গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুট হলেও সরবরাহ রয়েছে ২৬০ কোটি ঘনফুটের মতো। ফলে শিল্পসহ বিভিন্ন খাতে গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় শিল্প খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে গ্যাস সরবরাহ বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে জ্বালানি বিভাগ।সরকারি পরিকল্পনায় নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকেও ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য রাখা হয়েছে।আরও পড়ুন. রাষ্ট্রপতি হিসেবে আজ প্রথম সিলেট সফরে মির্জা ফখরুল এর পাশাপাশি পায়রা বড়পুকুরিয়া ও মাতারবাড়ীতে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে।এদিকে সংকট মোকাবিলায় স্থানীয় উৎসের পাশাপাশি আমদানিকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আরও দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপন এবং সমুদ্রে তেল গ্যাস অনুসন্ধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।জ্বালানি তেলের মজুত বাড়িয়ে ৯০ দিনের পর্যায়ে নেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। বর্তমানে দেশে প্রায় ৩২ দিনের তেল মজুত রয়েছে।সরকার বলছে দীর্ঘমেয়াদি এই পরিকল্পনার মাধ্যমে জ্বালানি নির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় উৎসের ব্যবহার বাড়ানো হবে। তবে গ্যাস ও বিদ্যুতের সরবরাহ বাড়ানোই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।বিশেষ করে গরমের কারণে বিদ্যুতের চাহিদা বৃদ্ধি এবং গ্যাস সংকটে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপের প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত