প্রিন্ট এর তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তলানিতে মার্কিন তেল রিজার্ভ
সংবাদ দিগন্ত ||
যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত পেট্রোলিয়াম মজুত বা এসপিআর নেমে এসেছে ২৮ কোটি ৬৬ লাখ ব্যারেলে। দেশটির এনার্জি ইনফরমেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৮২ সালের পর এটিই মার্কিন জরুরি তেল মজুতের সর্বনিম্ন পর্যায়।ইরানের সঙ্গে সামরিক সংঘাতের জেরে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে সংকট তীব্র হওয়ার মধ্যেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের এসপিআর তাদের মোট ধারণক্ষমতার মাত্র ৪০ শতাংশে রয়েছে।সংঘাত শুরুর পর অভ্যন্তরীণ বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় মার্কিন সরকার কৌশলগত মজুত থেকে ১২ কোটি ৮০ লাখ ব্যারেলেরও বেশি অপরিশোধিত তেল বাজারে ছেড়েছে।তবে সামনে আরও চাপ তৈরি হতে পারে।আড়ও পড়ুন,পাত্রী সংকটে মহারাষ্ট্রে আত্মহত্যা ২৯ পুরুষেরআন্তর্জাতিক চুক্তির আওতায় অতিরিক্ত তেল ছাড়ার বাধ্যবাধকতা থাকায় মার্কিন এই কৌশলগত মজুত ২৪ কোটি ৩০ লাখ ব্যারেলে নেমে যেতে পারে বলে জানিয়েছে রয়টার্স।এরই মধ্যে সংঘাতের প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রে ডিজেলের দামও রেকর্ড পর্যায়ে পৌঁছেছে। গ্যালনপ্রতি ডিজেলের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৮২০ ডলারে, যা বছরের শুরুর তুলনায় প্রায় ৫৫ শতাংশ বেশি।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেনেজুয়েলা থেকে অপরিশোধিত তেল আমদানির মাধ্যমে কৌশলগত মজুত পুনরায় পূরণের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করা কঠিন।বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, ইরানের সঙ্গে সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে এবং সমুদ্রপথে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। এতে শুধু যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি নিরাপত্তাই নয়, দেশটির অর্থনীতি, বৈশ্বিক তেলবাজার এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ওপরও বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত