প্রিন্ট এর তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬
ঢাকার আরও ৫০ ইন্টারসেকশনে এআই ট্রাফিক সিগন্যাল
সংবাদ দিগন্ত ||
রাজধানীর যানজট ও সড়কে বিশৃঙ্খলা কমাতে এবার ঢাকার আরও ৫০টি ইন্টারসেকশনে বসানো হচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তিনির্ভর ট্রাফিক সিগন্যাল।নতুন ৫০টি সিগনালের মধ্যে ২৮টি বসানো হবে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় এবং ২২টি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায়।এর আগে রাজধানীর ১৩টি পয়েন্টে বসানো হয় সেমি অটোমেটেড ট্রাফিক সিগন্যাল। বুয়েটের তত্ত্বাবধানে নির্মিত এসব সিগনালের কয়েকটিতে পরীক্ষামূলকভাবে যুক্ত করা হয় এআই ক্যামেরা।নতুন প্রযুক্তির সিগন্যাল নিয়ে চালকদের মধ্যেও তৈরি হয়েছে সচেতনতা। কেউ কেউ বলছেন, সিগন্যাল অমান্য করলে এআই ক্যামেরার মাধ্যমে মামলা হতে পারে—এমন আশঙ্কা তাদের আরও সতর্ক করছে।যোগাযোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নতুন সিস্টেমটি সম্পূর্ণ অটোমেটেড এবং এটি পরিচালনায় নিয়মিত অপারেটরের প্রয়োজন হবে না। একই সঙ্গে পরিস্থিতি অনুযায়ী ট্রাফিক পুলিশ চাইলে ট্যাবের মাধ্যমে সিগন্যাল পরিবর্তন করতে পারবেন।আরও পড়ুন, স্লিপার বাসের বৈধতার দাবিতে বনানীতে সড়ক অবরোধ, ভোগান্তিতে যাত্রীরাতবে প্রযুক্তি ব্যবহারে সম্ভাবনার পাশাপাশি রয়েছে কিছু সীমাবদ্ধতাও। ট্রাফিক পুলিশের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের মতে, যেখানে যত্রতত্র পথচারী পারাপার বা ব্যাটারিচালিত রিকশার চলাচল রয়েছে, সেখানে এআই সিগন্যাল প্রত্যাশিতভাবে কাজ করতে পারছে না।বিশেষজ্ঞদের মতে, ফিটনেসবিহীন ও নিয়মবহির্ভূত যানবাহন নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে শুধু প্রযুক্তিনির্ভর সিগন্যাল দিয়ে রাজধানীর সড়কে কাঙ্ক্ষিত শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা কঠিন।এদিকে নতুন সিগন্যাল পরিচালনায় অতিরিক্ত লোকবল নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ট্রাফিক টেকনিকাল ইউনিট নামে একটি বিশেষায়িত ইউনিট গড়ে তুলতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে পুলিশ সদস্যদের।প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ছে, এখন দেখার বিষয়—এআই ক্যামেরা ও অটোমেটেড সিগন্যালিং সত্যিই রাজধানীর যানজট ও সড়ক বিশৃঙ্খলা কতটা কমাতে পারে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত