প্রিন্ট এর তারিখ : ২০ আগস্ট ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২০ আগস্ট ২০২৬
ঘাটাইলের তাওহীদের দুই হাত নেই, তবুও স্বপ্ন থামেনি : লক্ষ্য সরকারি চাকরি
হেমায়েত হোসেন হিমু ||
ঘাটাইল উপজেলার ৭ নম্বর দিগড় ইউনিয়নের গারট্র উত্তরপাড়া (খুশিপাড়া) গ্রামের সন্তান মো.তাওহীদ ইসলাম শারীরিক সীমাবদ্ধতা আর দারিদ্র্যের নিষ্ঠুর পরিহাসকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে একঅনন্য ইতিহাস লিখে চলেছেন। তাওহীদ ইসলামের জন্ম থেকেই যার দুটি হাত নেই, তবুও তার স্বপ্নথেমে না তেকে সরকারি চাকরির লক্ষ নিয়ে উচ্চ শিক্ষা গ্রহন করছেন।পিতা মো. ফজলুল হক ও মাতা রত্না খাতুনের সন্তান তাওহীদের জীবনটা আর দশটা শিশুর মতো সহজছিল না। কিন্তু তিনি হার না মেনে, প্রকৃতির কাছে পরাজয় না মেনে পা দুটোকেই বানিয়ে নিয়েছেন হাত,আর আঙুলগুলোকে করেছেন স্বপ্নের কলম।পা দিয়ে প্রতিটি অক্ষর লেখার পেছনে রয়েছে দীর্ঘ কষ্টের গল্প। ঘণ্টার পর ঘণ্টা পায়ের আঙুলেরভাঁজে কলম চেপে ধরে পড়াশোনা করতে গিয়ে তাঁর আঙুলে ক্ষত তৈরি হয়েছে। তবুও সেই যন্ত্রণা তাঁরঅদম্য ইচ্ছাশক্তিকে দমাতে পারেনি। উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় জিপিএ ৪ দশমিক ৩৮ অর্জন করেসবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন তাওহীদ। বর্তমানে তিনি করটিয়া সা’দত কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞানবিভাগে স্নাতক সম্মান প্রথম বর্ষে পড়াশোনা করছেন।মায়ের ভেজা চোখ আর বাবার নিঃশব্দ দীর্ঘশ্বাসের মাঝে দাঁড়িয়ে তাওহীদ এখন শুধু নিজের স্বপ্নপূরণের জন্য লড়ছেন না,আরও পড়ুন, কাউলতিয়ায় হাতিয়াব পুলিশ ক্যাম্প উদ্বোধন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান তাঁর সংগ্রাম অনুপ্রেরণা জোগাচ্ছে পুরো সমাজকে। তবে তাঁর মনের গভীরেরয়েছে একটি সহজ আকাঙ্ক্ষা—পড়াশোনা শেষ করে নিজের পায়ে দাঁড়ানো এবং একটি সরকারি চাকরিপাওয়া।তাওহীদ বলেন, ্য়ঁড়ঃ;আমার দুটি হাত নেই, বেঁচে থাকার তাগিদে আমি পা দিয়েই সব লিখি। আমার খুব বেশিচাওয়া নেই এই পৃথিবীর কাছে; আমি কেবল নিজের পায়ে শক্ত হয়ে দাঁড়াতে চাই। কষ্ট করে পড়াশোনাটাশেষ করে যদি একটি সরকারি চাকরি পাই, তবে আমার ভাঙা সংসারের মুখে একটু হাসি ফোটাতে পারব।আল্লাহ যদি সেই সুযোগটা দেন, তবে এই জীবন সার্থক হবে।্য়ঁড়ঃ;উচ্চশিক্ষার দীর্ঘ পথ তাওহীদের জন্য মোটেও মসৃণ নয়। অভাবের কষাঘাত আর ভবিষ্যতেরঅনিশ্চয়তা প্রতিনিয়ত তাঁকে ভাবিয়ে তোলে। তাওহীদ ইসলামের এই সংগ্রাম প্রমাণ করে, শারীরিকসীমাবদ্ধতা মানুষের স্বপ্ন ও আত্মবিশ্বাসকে থামিয়ে দিতে পারে না। এখন তাঁর প্রয়োজন পড়াশোনাচালিয়ে যাওয়ার সুযোগ, কর্মসংস্থানের পথ এবং সমাজের সহযোগিতা।বাবা মো. ফজলুল হক বলেন, ্য়ঁড়ঃ;ছেলেটার যখন জন্ম হলো, হাত দুটো না দেখে বুকের ভেতরটা কেঁপেউঠেছিল। ভেবেছিলাম ও হয়তো সমাজের বোঝা হয়ে থাকবে। কিন্তু তাওহীদুল আমাদের ভুল প্রমাণ
সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত