প্রিন্ট এর তারিখ : ২২ জুলাই ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৬
উজানের ঢল ও টানা বৃষ্টিতে চার জেলায় বন্যা পরিস্থিতি, পানিবন্দি লাখো মানুষ
||
টানা ভারী বর্ষণ আর ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে দেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের চার জেলায় বন্যা পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি হচ্ছে। সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, নীলফামারী ও শেরপুরে নদ-নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম বা তার কাছাকাছি পৌঁছেছে। এতে প্লাবিত হয়েছে নিম্নাঞ্চল, পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন লাখো মানুষ।সুনামগঞ্জে সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, উজানে আরও কয়েক দিন ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় স্থায়ী বন্যার আশঙ্কা রয়েছে। জেলা প্রশাসন আশ্রয়কেন্দ্র ও মেডিক্যাল টিম প্রস্তুত রেখেছে।নেত্রকোনার কলমাকান্দা ও দুর্গাপুরে পাহাড়ি ঢলের তীব্র স্রোতে একাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। উব্দাখালী নদীর পানি বিপদসীমার ১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সড়ক ধসে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বিদ্যালয় ভবন।আরও পড়ুন. কসবা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৬৫টি কচ্ছপ জব্দ, বিজিবির তত্ত্বাবধানে অবমুক্তকৃষি বিভাগ জানিয়েছে, অন্তত ২০০ হেক্টর জমির ধানের চারা ও বীজতলা নষ্ট হয়েছে।অন্যদিকে নীলফামারীতে তিস্তা নদীর পানির চাপ সামাল দিতে ডালিয়া তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। পানি বিপদসীমার খুব কাছাকাছি অবস্থান করায় নদীতীরবর্তী এলাকায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে।শেরপুরের নালিতাবাড়ী ও ঝিনাইগাতীতে চেল্লাখালী নদীর পানি রেকর্ড ৩২৪ সেন্টিমিটার বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে শত শত পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। তলিয়ে গেছে সবজি ক্ষেত ও আমনের বীজতলা। ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ত্রাণ সহায়তার প্রস্তুতি নেওয়ার কথা জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।
সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত