প্রিন্ট এর তারিখ : ১৪ জুন ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুন ২০২৬
যুদ্ধের ইতি নয়, কৌশলগত সুবিধা চাইছে ইসরায়েল আল জাজিরার দাবি
সংবাদ দিগন্ত ||
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত ভূরাজনীতিতে নতুন করে আলোচনায় এসেছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সমঝোতা। তবে এই সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে সবচেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন হয়ে উঠেছে ইসরায়েল। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমন তথ্য।প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্ভাব্য সমঝোতা স্মারক বা চুক্তি যুদ্ধ পরিস্থিতি প্রশমিত করতে পারে। কিন্তু ইসরায়েল এমন কোনো চুক্তিতে আগ্রহী নয়, যা ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থা বহাল রেখে সংঘাতের অবসান ঘটাবে।বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েলের কৌশলগত লক্ষ্য কেবল নিরাপত্তা নয়, বরং ইরানের আঞ্চলিক প্রভাব কমানো এবং শক্ত অবস্থান ধরে রাখা। ইসরায়েলি গণমাধ্যমেও এই ইস্যুতে জোরালো আলোচনা চলছে। সেখানে প্রশ্ন উঠছে—যদি একটি চুক্তি হয় এবং ইরানের সরকার টিকে যায়, তাহলে ইসরায়েলের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা পরিকল্পনার কী হবে?অন্যদিকে, আরো পড়ুন , সুইজারল্যান্ডে অভিবাসন ইস্যুতে বড় গণভোটলেবানন সীমান্ত পরিস্থিতিও ইসরায়েলের জন্য বড় উদ্বেগ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইসরায়েলি হামলার জবাবে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো উত্তর ইসরায়েলের সেনা ও সামরিক অবস্থান লক্ষ্য করে একযোগে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।এ কারণে উত্তর ইসরায়েলের বহু বাসিন্দাকে নিরাপত্তার স্বার্থে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জন্য পরিস্থিতি আরও সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে। কারণ সীমান্ত নিরাপত্তা ও বাস্তুচ্যুত নাগরিকদের ঘরে ফেরানো আগামী রাজনৈতিক সমীকরণ ও নির্বাচনের ভাগ্য নির্ধারণেও ভূমিকা রাখতে পারে।এমন পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে—মধ্যপ্রাচ্যে কি নতুন কূটনৈতিক সমঝোতা আসছে, নাকি সংঘাত আরও জটিল পথে এগোচ্ছে? এখন সবার নজর ওয়াশিংটন, তেহরান এবং তেলআবিবের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত