প্রিন্ট এর তারিখ : ০৬ জুন ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুন ২০২৬
ঈদের পর স্বস্তি সবজির বাজারে, কমেনি মাছ-মাংস-ডিমের দাম
সংবাদ দিগন্ত ||
পবিত্র ঈদুল আজহার পর রাজধানীর কাঁচাবাজারে ফিরতে শুরু করেছে কিছুটা স্বস্তি। সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ায় বেশিরভাগ সবজির দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। তবে মাছ, মাংস ও ডিমের বাজারে এখনো মিলছে না স্বস্তির খবর।রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, ঈদের আগের তুলনায় বেশিরভাগ সবজির দাম কমেছে। যাত্রাবাড়ী বাজারে কাঁকরোল ও করলা প্রতি কেজি ৮০ টাকা, ঢেঁড়শ ও উচ্ছে ৬০ টাকা, ঝিঙে ৬০ টাকা, গোল বেগুন ৬০ টাকা এবং লম্বা বেগুন ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পেঁপে ও লতিও মিলছে ৬০ টাকায়। লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ১০ টাকায়।বিক্রেতাদের দাবি, ঈদের আগে পরিবহন সংকট ও বাড়তি চাহিদার কারণে দাম বেড়েছিল।আরও পড়ুন , উৎপাদন বাড়াতে বিশেষ তহবিল ঘোষণা বাংলাদেশ ব্যাংকের এখন দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পর্যাপ্ত সরবরাহ আসায় বাজারে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে।তবে মাছের বাজারে এখনো স্বস্তি ফেরেনি। চাষের রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৩৫০ টাকা, পাঙ্গাস ২২০ টাকা, শিং মাছ ৩৮০ টাকা, পাবদা ৪০০ টাকা এবং চিংড়ি ৮০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে।ডিমের বাজারেও দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ফার্মের ডিম প্রতি ডজন ১২০ টাকা এবং দেশি ডিম ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।অন্যদিকে গরুর মাংস কেজিপ্রতি ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।ক্রেতারা বলছেন, সবজির দাম কমায় কিছুটা স্বস্তি মিললেও মাছ, মাংস ও ডিমের উচ্চমূল্য এখনো সংসারের ব্যয় বাড়িয়ে দিচ্ছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, মৌসুমি সবজির সরবরাহ আরও বাড়লে বাজারে ইতিবাচক প্রভাব অব্যাহত থাকতে পারে। তবে আমিষ পণ্যের বাজারে স্থিতিশীলতা আনতে উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থায় কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।
সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত