প্রিন্ট এর তারিখ : ০৬ জুন ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুন ২০২৬
তৃণমূলে ভাঙনের সুযোগে বিজেপির নতুন লক্ষ্য সংসদ
সংবাদ দিগন্ত ||
তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ বিভাজনের জের এবার পৌঁছে গেছে ভারতের জাতীয় রাজনীতিতে। পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে পরিবর্তিত পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে সংসদের দুই কক্ষে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে নতুন কৌশল নিয়ে এগোচ্ছে বিজেপি।ভারতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিজেপির লক্ষ্য কেবল কেন্দ্রীয় সরকার পরিচালনা নয়; বরং লোকসভা ও রাজ্যসভায় দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করা। সেই লক্ষ্য অর্জনে তৃণমূল কংগ্রেস ও ডিএমকের কিছু সদস্যকে নিজেদের পক্ষে আনার সম্ভাব্য কৌশল নিয়ে আলোচনা চলছে।বর্তমানে লোকসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের ২৮ জন এবং রাজ্যসভায় ১৩ জন সদস্য রয়েছেন। অন্যদিকে ডিএমকের রয়েছে ২২ জন লোকসভা সদস্য। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই দুই দলের ভেতরে বড় ধরনের ভাঙন ঘটাতে পারলে বিজেপির সাংসদ সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে।আরও পড়ুন , হরমুজ ঘিরে উদ্বেগ, বিশ্ববাজারে তেলের দাম আবারও ঊর্ধ্বমুখীসংসদের দুই কক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন অর্জন করতে পারলে সাংবিধানিক সংশোধনীসহ গুরুত্বপূর্ণ বিল সহজেই পাস করা সম্ভব হবে। বিশেষ করে ‘এক দেশ, এক ভোট’ কিংবা মহিলা সংরক্ষণ বিলের মতো ইস্যুগুলো সামনে রেখে বিজেপি দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক পরিকল্পনা সাজাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনী ধাক্কার পর তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরে নেতৃত্ব নিয়ে অসন্তোষ বেড়েছে। দলের ভেতরে বিভিন্ন মতপার্থক্য প্রকাশ্যে চলে আসায় নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতি শুধু তৃণমূল কংগ্রেসকেই নয়, বিরোধী রাজনৈতিক জোটের সামগ্রিক শক্তিকেও প্রভাবিত করতে পারে। কারণ বিরোধী শিবিরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে তৃণমূল কংগ্রেসের ভূমিকা জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, আগামী লোকসভা নির্বাচনের আগে ভারতের রাজনীতিতে জোট, ভাঙন এবং নতুন সমীকরণের খেলা আরও তীব্র হতে পারে। তৃণমূল ও ডিএমকের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি সেদিক থেকে আগামী দিনের রাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত