প্রিন্ট এর তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬
বাঁধভাঙা বন্যার মতো মানুষ বর্ষবরণে বেরিয়েছেন: সংস্কৃতিমন্ত্রী
ডেস্ক ||
বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনে এবার বর্ষবরণে মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণকে ‘বাঁধভাঙা বন্যার মতো’ বলে মন্তব্য করেছেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে বাংলা একাডেমি ও বিসিকের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত সাত দিনব্যাপী ‘বৈশাখী মেলা ১৪৩৩’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।আরও পড়ুন, ২৪ ঘণ্টায় ৯ শিশুর মৃত্যু: হাম পরিস্থিতি ভয়াবহ, বাড়ছে আতঙ্কসংস্কৃতি মন্ত্রী বলেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার মানুষ অনেক বেশি মেলায় আসে। অন্যান্য বছর রাস্তায় মানুষ দেখা যেত না। সন্ধ্যায় কিছু মানুষ দেখা যেত। কিন্তু এবার সকাল থেকেই মানুষ মেলায় আসছে। সংস্কৃতি মন্ত্রী আরও বলেন, পহেলা বৈশাখের মেলা গ্রামের ঐতিহ্য থেকে শুরু হয়ে এখন শহরেও পৌঁছেছে। গ্রামের কৃষি ও সংস্কৃতির সাথে যুক্ত এই মেলা এখন শহরের সংস্কৃতির অংশ হয়ে উঠেছে।আরও পড়ুন, জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ আমরা বাস্তবায়ন করব : প্রধানমন্ত্রীতিনি বলেন, শহরের বেশিরভাগ মানুষ গ্রামে বেড়ে ওঠে। তাই তারা গ্রামের ঐতিহ্যকে ধীরে ধীরে শহরে নিয়ে আসে।মন্ত্রী বলেন, এই মেলা শিল্প উদ্যোক্তাদের জন্য বড় সুযোগ তৈরি করবে। এই উদ্যোগ গ্রামেও ছড়িয়ে দেওয়া হবে। মেলার আয়োজকরা জানান, মেলায় ১৬০টি স্টল আছে। চামড়ার জিনিসের ৭টি, জামদানির ৬টি, নকশিকাঁথার ৪টি, কাপড়ের ৪৪টি, শতরঞ্জির ৫টি এবং মণিপুরি শাড়ির ২টি স্টল আছে।এছাড়াও কারুশিল্পী জোন, শিশুদের রাইড ও বিনোদন জোন, পুতুলনাচ, বায়োস্কোপ এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের জন্য ১৩টি স্টল রয়েছে। প্রান্তিক কারুশিল্পীদের জন্য ১৩টি, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য ২টি এবং কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচির জন্য ১টি স্টল বিনামূল্যে দেওয়া হয়েছে। মেলা প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত সবার জন্য খোলা থাকবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত