প্রিন্ট এর তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬
অধ্যাদেশ বাতিলের পর মানবাধিকার কমিশনে অচলাবস্থা
ডেস্ক ||
জাতীয় মানবাধিকার কমিশন সংক্রান্ত অধ্যাদেশ বাতিলের পর সংস্থাটিতে গভীর অচলাবস্থা দেখা দিয়েছে। নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত কমিশন সদস্যরা অফিসে না যাওয়ায় তদন্ত ও অভিযোগ নিষ্পত্তির কার্যক্রম প্রায় সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। সূত্র জানায়, ৯ এপ্রিল অধ্যাদেশ বাতিলের পর কমিশনের সদস্যরা অনানুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ান। এরপর থেকে তারা অফিসে উপস্থিত হচ্ছেন না। এতে দেড় হাজারের বেশি অভিযোগ পেন্ডিং অবস্থায় রয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ তদন্ত কার্যক্রম থমকে গেছে।আরও পড়ুন, বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩: দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছাসাবেক চেয়ারম্যান বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, অধ্যাদেশ বাতিলের ফলে কমিশন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিলুপ্ত হয়ে গেছে। ফলে কমিশনারদের আর দপ্তরে যাওয়ার বাধ্যবাধকতা নেই। অন্যদিকে, বিদায়ী কমিশনের সদস্যরা খোলা চিঠিতে বলেন, সংসদের সিদ্ধান্তে কমিশনের স্বাধীনতা ও কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। তারা অভিযোগ করেন, পূর্ববর্তী অধ্যাদেশের মাধ্যমে কমিশন যে স্বাধীন তদন্ত ক্ষমতা পেয়েছিল, তা সীমিত হয়ে যেতে পারে।আরও পড়ুন, নববর্ষে ঐক্যের আহ্বান: ‘ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার’—শফিকুর রহমানচিঠিতে আরও বলা হয়, মানবাধিকার রক্ষায় কমিশনের ভূমিকা কার্যকর রাখতে আইনগত কাঠামো আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। বর্তমানে কমিশনের প্রশাসনিক কার্যক্রমও স্থবির হয়ে পড়েছে। নীতি নির্ধারণী সিদ্ধান্ত গ্রহণ না হওয়ায় দাপ্তরিক কার্যক্রমে জটিলতা তৈরি হয়েছে। ভুক্তভোগীরা তাদের অভিযোগের অগ্রগতি নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত