প্রিন্ট এর তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৪ এপ্রিল ২০২৬
পরিত্যক্ত সংবিধান ছেড়ে নতুন সংবিধান তৈরি করুন - খোমেনী ইহসান
ডেস্ক ||
জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের আহ্বায়ক খোমেনী ইহসান বলেছেন যে বাংলাদেশের বর্তমান সংবিধানের সাথে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের কোনো সম্পর্ক নেই। তিনি বলেছেন যে এটি বাংলাদেশের জনগণের পরিবর্তে ভারতের অনুগত পাকিস্তানি জনপ্রতিনিধিদের দ্বারা প্রণীত গোলামির ফাঁস ছাড়া আর কিছুই নয়। খোমেনী ইহসান বলেছেন যে বাংলাদেশে সংবিধান নিয়ে রাজনীতিতে চরম বিভ্রান্তি বিরাজ করছে। তিনি বলেছেন যে আমরা রক্তাক্ত মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা পেলেও বাংলাদেশের নাগরিকদের ভোটে গঠিত গণপরিষদের মাধ্যমে এখানে সংবিধান প্রণয়ন করা হয়নি।তিনি বলেছেন যে পাকিস্তানের নাগরিকদের ভোটে পাকিস্তানের জন্য গঠিত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্যরা ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর সাথে করা বাহাত্তরের গোলামি চুক্তির বলে বাংলাদেশের ওপর গণবিরোধী সংবিধান চাপিয়ে দিয়েছে। খোমেনী ইহসান বলেছেন যে বাহাত্তরের সংবিধান প্রণয়নকারীরা ১৯৭০ সালে পাকিস্তানের নির্বাচন করার সময় অঙ্গীকার করেছিল কুরআন ও সুন্নাহ বিরোধী সংবিধান ও আইন প্রণয়ন করবে না। কিন্তু তারা মুক্তিযুদ্ধের পর অবৈধভাবে সংবিধান প্রণয়ন করতে গিয়ে বাংলাদেশের জনগণের ওপর ধর্ম নিরপেক্ষতা ও সমাজতন্ত্রকে রাষ্ট্রের মূলনীতি হিসেবে চাপিয়ে দিয়েছে।আরও পড়ুন, তারেক রহমানের দেশে ফেরা ও রাষ্ট্র পরিচালনা - কার প্রভাব?তিনি বলেছেন যে এর মাধ্যমে ভারতের প্রতি অনুগত একটি ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্র ও শাসক শ্রেণি গড়ে তোলার বন্দোবস্ত করা হয়েছে। যার অবসান হয় না বলে এ দেশে ধারাবাহিকভাবে মুক্তিযুদ্ধ, বিপ্লব ও গণঅভ্যুত্থান হওয়ার পরও জনগণের মুক্তি ও স্বাধীনতা অর্জিত হয়নি। খোমেনী ইহসান বলেছেন যে জুলাই বিপ্লবের মধ্য দিয়ে পরিত্যক্ত হয়ে যাওয়া এ সংবিধান সংস্কার কিংবা সংশোধনের নাটক বাদ দিয়ে জনগণের ভোটে নতুন সংবিধান প্রণয়ন করতে হবে।আরও পড়ুন, রাজধানীতে ১১ দলীয় ঐক্যের বিক্ষোভতিনি বলেছেন যে বিএনপি সরকার ও জামায়াতের নেতৃত্বাধীন বিরোধী দলকে সংবিধান সংস্কার কিংবা সংশোধনীর প্রক্রিয়া থেকে বের হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেছেন যে বাহাত্তরের সংবিধান নিয়ে এ দেশে অনেক নাটক হয়েছে। এখন নতুন জনগণতান্ত্রিক সংবিধান প্রণয়ন করুন। এজন্য বিদ্যমান সংসদ বহাল রেখেই আলাদা করে একটি গণপরিষদ গঠন করুন। খোমেনী ইহসান অবিলম্বে জুলাই গণহত্যার বিচার ও শাস্তি কার্যকরের দাবি জানান। তিনি বলেছেন যে আমরা দ্রুততম সময়ে পিলখানা, শাপলা চত্বর ও জুলাই গণহত্যার বিচার দেখতে চাই। জুলাইয়ের হাজারো শহীদকে হত্যার ঘটনায় হাজারো খুনীদের ফাঁসি কার্যকর দেখতে চাই।
সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত