প্রিন্ট এর তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নবীনগরে গুলিবিদ্ধ ১০ জনের ঘটনায় সন্ত্রাসীদের মহড়া অস্ত্র উন্মুক্ত
সংবাদ দিগন্ত ||
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার নদী তীরবর্তী চরলাপাং এলাকায় বালু সন্ত্রাসীদের গুলিতে ১০ জন আহতের ঘটনায় স্থানীয় সাংসদ এম এ মান্নান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বালু সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিয়েছেন। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) তিনি এই নির্দেশনা দিয়ে ফিরে আসার কয়েক ঘণ্টা পরই রাতে চরলাপাং গ্রামে আবারও বালু সন্ত্রাসীরা সশস্ত্র মহড়া দেয়। এ সময় সন্ত্রাসীরা একাধিক ককটেল বিষ্ফোরণ ঘটিয়ে গ্রামে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। এতে ভয়ে গ্রামের লোকজন ঘর থেকে বের হয়ে দৌড়ে অন্যত্র পালাতে থাকে।চরলাপাং গ্রামের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য (মেম্বার) জীবন মিয়া কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘এমপি সাহেব দুপুরে আমাদের গ্রামে সন্ত্রাস বিরোধী এক সমাবেশে বালু সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিয়ে ফিরে আসার কয়েক ঘণ্টা পরই রাত ১০টার দিকে বালু সন্ত্রাসীরা অস্ত্রসস্ত্রে সজ্জিত হয়ে গ্রামে এসে ককটেল ফুটিয়ে মহড়া দেয়।আরো পড়ুন , লক্ষ্মীপুরে আগুনে ৯ দোকান পুড়ে ক্ষতি ৭৫ লাখ টাকাএরপরই আমি নবীনগর থানায় এসে ওসিকে পুরো ঘটনা অবগত করি।’এদিকে চরলাপাং গ্রামে বালু সন্ত্রাসীদের হামলায় ১০ জন গুরিবিদ্ধ হওযার তিনদিন পরও পুলিশ এ পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। এ নিয়ে জনমনে ক্ষোভ বিরাজ করছে।জানা গেছে, গতকাল মঙ্গলবার বিএনপি দলীয় স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এম এ মান্নান ঘটনাস্থল চরলাপাং এলাকা পরিদর্শন করে সেখানে সন্ত্রাসবিরোধী এক সমাবেশে হামলাকারী সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করতে স্থানীয় পুলিশকে কঠোর নির্দেশ দেন। এ সময় সাংসদের সঙ্গে ইউএনও মাহমুদুল হাসান, ওসি রফিকুল ইসলামসহ স্থানীয় বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।এলাকাবাসী জানান, গত রবিবার (২২ ফেব্রুযারি) সকালে উপজেলার পশ্চিমাঞ্চলের নাসিরাবাদ বালু মহালের ইজারাদারের সশস্ত্র লোকজন ইজারার শর্ত ভঙ্গ করে দূরবর্তী নবীনগর পশ্চিম ইউনিয়নের নদী তীরবর্তী চরলাপাং এলাকায় আবারও জোরপূর্বক মাটি কাটতে আসে। সেসময় গ্রামবাসী বাধা দেয়।
সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত