প্রিন্ট এর তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মূল্যস্ফীতির চাপ হ্রাস, বাজারে শান্তির লক্ষণ
সংবাদ দিগন্ত ||
রমজানের শুরুতে বাজারে নিত্যপণ্যসহ সবজি ও মাছ-মাংসের দামের 'উত্তাপ' সপ্তাহ না যেতেই কিছুটা কমতে শুরু করেছে। রাজধানীর ইসিবি চত্তর মাঠের কোনা, মিরপুর, মানিকদী ও বালুঘাট এলাকার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, লেবুসহ বেশ কিছু সবজির দাম কিছুটা কমেছে। ব্রয়লার মুরগির দামও রোজার শুরুতে ১৮০ থেকে ২০০ টাকা থাকলেও এখন ১৫৫ থেকে ১৬৫ টাকায় নেমেছে। গরুর মাংসেও কেজিতে প্রায় ৩০ টাকা কমেছে।বর্তমানে লেবু দোকানভেদে হালি ৪০ থেকে ৬০ টাকা। লাউ ৬০, ফুলকপি ৫০, পাতাকপি ৪০, গোল বেগুন ১০০, লম্বা বেগুন ১২০, চিচিঙ্গা ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। টমেটো ৬০ থেকে ৮০, আলু ২৫, শসা ৮০, কাঁচামরিচ ১৬০, মুলা ৫০, পেঁপে ৪০, কচুর ছড়া ৮০, শিম ৪০ থেকে ৬০, মিষ্টিকুমড়া ৫০, ঢেঁড়স ১৬০, লতি ১২০, বরবটি ১২০, গাজর ৫০, জালি কুমড়া ৫০ টাকা পিস এবং করলা ১৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।পেঁয়াজ ৫০ টাকা কেজি। ছোট রসুন ১০০ এবং বড় রসুন ২০০ টাকা কেজি। ছোলা বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা কেজি দরে।মানিকদী বাজারের সবজি বিক্রেতা রুবেল বলেন, “দাম এখন আস্তে আস্তে কমতে শুরু করেছে। তবে এভাবে কতদিন কমবে বা আরও কমবে কিনা, সেটা বলা যাচ্ছে না।”বর্তমানে লেবু দোকানভেদে হালি ৪০ থেকে ৬০ টাকা। লাউ ৬০, ফুলকপি ৫০, পাতাকপি ৪০, গোল বেগুন ১০০, লম্বা বেগুন ১২০, চিচিঙ্গা ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। টমেটো ৬০ থেকে ৮০, আলু ২৫, শসা ৮০, আরো পড়ুন , অর্থনীতিতে ইতিবাচক সংকেত, রেমিট্যান্স প্রবাহে ২৮.৪% বৃদ্ধিকাঁচামরিচ ১৬০, মুলা ৫০, পেঁপে ৪০, কচুর ছড়া ৮০, শিম ৪০ থেকে ৬০, মিষ্টিকুমড়া ৫০, ঢেঁড়স ১৬০, লতি ১২০, বরবটি ১২০, গাজর ৫০, জালি কুমড়া ৫০ টাকা পিস এবং করলা ১৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।পেঁয়াজ ৫০ টাকা কেজি। ছোট রসুন ১০০ এবং বড় রসুন ২০০ টাকা কেজি। ছোলা বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা কেজি দরে।বর্তমানে ব্রয়লার মুরগি ১৫৫ থেকে ১৬৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। লেয়ার মুরগি ২৭০ টাকা। পাকিস্তানি হাইব্রিড ২৭০ এবং অরিজিনাল জাতের পাকিস্তানি মুরগি ৩০০ টাকা কেজি।মুরগি বিক্রেতা আব্দুল্লাহ বলেন, “মুরগির দাম আস্তে আস্তে আগের অবস্থায় আসছে। তবে এখনও পাকিস্তানি মুরগির দাম বেশি। আশা করি সামনে কমবে। তবে ঈদের সময় আবারও দাম বাড়তে পারে।”গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ টাকা কেজি দরে, যা রোজার শুরুর তুলনায় প্রায় ৩০ টাকা কম।ছোট তেলাপিয়া ১৯০ এবং বড় তেলাপিয়া ২৪০ টাকা কেজি। রুই ৩৬০ থেকে ৩৮০, পাংগাস ২২০, কই ২৫০, টাকি ৩৫০ থেকে ৩৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। চিংড়ি ৮৫০ থেকে ৯০০ টাকা কেজি।বাজার করতে আসা এক গৃহিণী বলেন, “প্রথম রোজায় লেবুর দাম ১২০ টাকা বলছিল। এখন কোনো কোনো দোকানে ৪০ টাকাতেও পাওয়া যায়। তবে ভালো মানের লেবু এখনও ৫০-৬০ টাকা।”
সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত