প্রিন্ট এর তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ঢাকা- ১৪ আসনে সৎ নেতৃত্বের খোঁজে ভোটাররা, আলোচনার কেন্দ্রে ব্যারিস্টার আরমান
সুমন খান ||
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঢাকা- ১৪ সংসদীয় আসনে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত সংসদ সদস্য (এমপি) প্রার্থী ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অনাস্থা, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারে ক্লান্ত এই আসনের ভোটাররা এবার খুঁজছেন সৎ, যোগ্য ও দেশপ্রেমিক নেতৃত্ব, যার প্রতিফলন স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে ব্যারিস্টার আরমানকে ঘিরে বাড়তে থাকা জনসমর্থনে। ঢাকা- ১৪ আসনের অবস্থান ও গুরুত্বঢাকা- ১৪ সংসদীয় আসনটি ঢাকা জেলার সাভার উপজেলার কাউন্দিয়া ও বনগাঁও ইউনিয়ন এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ০৭, ০৮, ০৯, ১০, ১১ ও ১২ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত। এটি জাতীয় সংসদের ৩০০টি আসনের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ আসন এবং ঢাকা জেলার ১৮৭ নম্বর সংসদীয় এলাকা হিসেবে পরিচিত। জনসংখ্যা ও নগর সমস্যার দিক থেকে এই আসনটি বরাবরই রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ।শিক্ষা, সততা ও দক্ষতার সমন্বয়ে ব্যারিস্টার আরমান, আইন পেশায় সুপ্রতিষ্ঠিত ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান একজন সুপরিচিত মানবাধিকারকর্মী ও নীতিনিষ্ঠ ব্যক্তিত্ব। অনুসন্ধানে জানা গেছে, পেশাগত জীবনে তিনি ন্যায়বিচার ও আইনের শাসনের প্রশ্নে কখনো আপস করেননি। ব্যক্তিগত জীবনের স্বচ্ছতা, রাজনৈতিক শালীনতা ও যুক্তিভিত্তিক বক্তব্য তাঁকে ভোটারদের কাছে আস্থার প্রতীকে পরিণত করেছে। স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় একজন শিক্ষিত, আইনজ্ঞ ও নৈতিক শক্তিতে বলীয়ান প্রার্থীর যে প্রয়োজন, ব্যারিস্টার আরমান সেই চাহিদার সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ।শাসক নয়, জনগণের সেবক হবো, দৃঢ় অঙ্গীকার, নির্বাচনী প্রচারণার প্রতিটি সভা-সমাবেশে ব্যারিস্টার আরমান বারবার উচ্চারণ করছেন একটি স্পষ্ট ও সাহসী অঙ্গীকার, আমরা জাতির শাসক হবো না, সেবক হবো। এই বক্তব্যই তাঁর রাজনীতির দর্শনের মূল ভিত্তি। তাঁর মতে, সংসদ সদস্য মানে ক্ষমতার মালিক নন; বরং জনগণের অধিকার আদায়ের পাহারাদার। ব্যারিস্টার আরমানের নির্বাচনী ইশতেহারে অগ্রাধিকার পাচ্ছে দুর্নীতিমুক্ত জনপ্রশাসন নিশ্চিত করা।শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে মানসম্মত সেবা বিস্তার, তরুণদের কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়ন, মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজিমুক্ত এলাকা গড়ে তোলা নাগরিক সুবিধা ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা, দাঁড়িপাল্লা: ন্যায় ও ভারসাম্যের প্রতীক বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী প্রতীক দাঁড়িপাল্লা—ন্যায়, ইনসাফ ও ভারসাম্যের প্রতীক হিসেবে ভোটারদের সামনে তুলে ধরা হচ্ছে। দলীয় নেতাকর্মীদের দাবি, এই প্রতীক এমন এক রাজনীতির বার্তা বহন করে যেখানে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও বৈষম্যের কোনো স্থান নেই। নির্বাচনী মাঠে লক্ষ্য করা গেছে, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রতি বিশেষ করে তরুণ ও সচেতন ভোটারদের আগ্রহ তুলনামূলকভাবে বেশি। ঢাকা- ১৪ সমস্যা, অবহেলা ও পরিবর্তনের প্রত্যাশা দীর্ঘদিন ধরে ঢাকাু১৪ আসন অপরিকল্পিত নগরায়ণ, তীব্র যানজট, জলাবদ্ধতা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার সংকটসহ নানাবিধ সমস্যায় জর্জরিত এলাকাবাসীর অভিযোগ, জনপ্রতিনিধিরা ভোটের পর সাধারণ মানুষের খোঁজ রাখেন না।আরও পড়ুন, নারীদের পিছনে রেখে দেশ এগোতে পারে না, ঢাকা–১৮ তে রাজিয়া সুলতানার জোরালো বক্তব্যএই বাস্তবতায় ব্যারিস্টার আরমানের নিয়মিত মাঠপর্যায়ের উপস্থিতি, সরাসরি জনগণের সঙ্গে কথা বলা এবং সমস্যা শুনে সমাধানের প্রতিশ্রুতি এলাকাবাসীর মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারা এমন একজন সংসদ সদস্য চান, যিনি সংসদে সত্য কথা বলবেন জনগণের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নেবেন, এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে আপসহীন থাকবেন, অনেক ভোটারের ভাষ্য, পরিচ্ছন্ন মানুষই দরকার, নতুন মুখ হলেও সমস্যা নেই। নির্বাচনী মাঠে গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর ব্যারিস্টার আরমান রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সৎ ভাবমূর্তি, স্পষ্ট রাজনৈতিক অবস্থান ও জনসংযোগের কারণে ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান ঢাকাু১৪ আসনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টরে পরিণত হয়েছেন। নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, তাঁর প্রতি জনআস্থার পাল্লাও তত ভারী হচ্ছে। সৎ নেতৃত্ব, দক্ষতা ও দেশপ্রেমিক চেতনায় দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিন, ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমানকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত