প্রিন্ট এর তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জানুয়ারি ২০২৬
লালপুরে বোরো ধান রোপনে ব্যস্ত কৃষকরা
আইয়ুব আলী, , নাটোর প্রতিনিধি: ||
লালপুরে প্রচন্ড শীত উপেক্ষা করে পুরোদমে শুরু হয়েছে বোরো ধান রোপন। জমি চাষ ও ধান রোপনে যেন চলছে এক প্রতিযোগিতা। জমি হাল চাষ বীজ তলা থেকে ধানের চারা উত্তোলন জমিতে পানি দেওয়া এবং চারা রোপনের কাজে দিন রাত ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা । প্রচন্ড শীতের কারণে দিনমজুর শ্রমিকদের মজুরি বেড়ে গেছে। চলতি বছরে উপজেলার ১ হাজার ৬০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষবাদ লক্ষ্য মাত্রা ধরা হয়েছে । গত বছর যেখানে শ্রমিকদের দৈনিক পারিশ্রমিক ছিল ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা সেখানে এবার বেড়ে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা তবু শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানান অর্জুনপুর গ্রামের কৃষক মোতালেব হোসেন ও নওদা পাড়া গ্রামের শামসুল হক এবং আংগারি মারা গ্রামের বাবলু। শ্রমিক সংকটের কারণে অনেক কৃষক পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে নিজেরাই জমিতে নেমে পড়েছেন। কার আগে কে জমিতে ধান রোপন শেষ করবেন।এই নিয়ে বিল অঞ্চলে চলছে প্রতিযোগিতা। এর সাথে জমিতে হাল চাষে ব্যবহৃত পাওয়ার টিলা চাহিদা বেড়েছে। সুযোগ বুঝে পাওযার টিলের চালকরা জমি চাষে মূল্য বাড়িয়ে দিয়েছেন গত বছর যেখানে প্রতি ২০শতাংশ জমি হাল চাষের খরচ ছিল ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা এবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা তার পরেও ট্রাক্টর পাওয়ার জন্য কৃষকদের অপেক্ষা করতে হচ্ছে দিনের পর দিন। তারপরে অনেক জায়গায় জমি সমতল না হাওয়ায় উচু জমিতে দেখা দিয়েছে পানি সংকট। অনেক কৃষক অতিরিক্ত খরচ করে দীর্ঘ পাইপলাইদনের মাধ্যমে পানির মেশিন বসিয়ে নিজের জমিতে নিজের পানি সরবরাহ করতে হচ্ছে। আরও পড়ুন, মধ্যনগরে সরস্বতী পূজা পরিদর্শনে ওসি শাহাবুদ্দিনউপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ঘুরে দেখা যায় চারিদিকে বোরো ধানের আবাদের ব্যস্ততা। কনকনে শীত ও কুয়াশা উপেক্ষা ও হার মানিয়ে মাঠে কাজ করে যাচ্ছেন। এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেন , এই উপজেলায় শীতের পূর্বে বীজ ক্ষেত তৈরি করা হয়েছে যার কারনে কোন বীজ তলা ক্ষতি হয়নি। বোরো ধানের ক্ষতির কোন সংবাদ পাওয়া যায়নি। বোরো ধান চাষীদের সর্বদাই সহযোগিতা করা হচ্ছে বলে জানান কৃষি কর্মকর্তা।
সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত