প্রিন্ট এর তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জানুয়ারি ২০২৬
বিশেষ ছাড়ে বাণিজ্য মেলার ক্রেতা ভিড় বৃদ্ধি
ডেস্ক ||
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের পূর্বাচল উপশহরে ঢাকা আর্ন্তজাতিক বাণিজ্য মেলায় বেশ জমজমাট হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশ চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে বাণিজ্য মেলার ৩০তম আসরের ১৬তম দিনে ক্রেতা-বিক্রেতা আর নতুন উদ্যোক্তাদের পদচারণায় মুখরিত। স্টল ও প্যাভিলিয়ণগুলো ক্রেতার আকর্ষণের জন্য দিয়েছেন বিশেষ ছাড় বা অফার। আর বিশেষ মুল্য ছাড়ের কারণে প্রদিতদিনই দুপুরে পর থেকে মেলা প্রাঙ্গণে ব্যাপক ভীড় জমে। দেশি-বিদেশি স্টলগুলোতে ক্রেতা- দর্শনার্থীরা ঘুরে ঘুরে পছন্দের পণ্য ক্রয় করছেন। এবারের মেলায় দেশীয় পণ্যের পাশাপাশি ভারত, পাকিস্তান, তুরস্ক, ইরান, সিঙ্গাপুর ও হংকং, আফগানিস্তানসহ বিভিন্ন ১২টি দেশ অংশ নিয়েছে। মেলায় এসব দেশের বস্ত্র, মেশিনারিজ, কার্পেট, কসমেটিকস অ্যান্ড বিউটি এইডস, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস, ফার্নিচার, পাট ও পাটজাত পণ্য, গৃহসামগ্রী, চামড়া-আর্টিফিসিয়াল চামড়া ও জুতাসহ চামড়াজাত পণ্য, স্পোর্টস গুডস, স্যানিটারি ওয়্যার, খেলনা, স্টেশনারি, ক্রোকারিজ, প্লাস্টিক, মেলামাইন পলিমার, হারবাল ও টয়লেট্রিজ, ইমিটেশন জুয়েলারি, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, ফাস্টফুড, হস্তশিল্পজাত পণ্য, হোম ডেকর ইত্যাদি পণ্য প্রদর্শিত হচ্ছে। এছাড়া মেলার বিশেষ আকর্ষণ স্টল হচ্ছে নারায়ণগঞ্জ কারাগারে কয়েদিদের উপৎপাদতি পণ্যসামগ্রী। এসব পণ্য প্রদর্শনের পাশাপাশি দেশীয় পণ্য রপ্তানির বড় বাজার খোঁজার লক্ষ্য রয়েছে বিক্রেতাদের। রপ্তানী উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) তরফদার সোহেল রহমান জানান, বাণিজ্য মেলার আয়োজনের মূল লক্ষই থাকে এক ছাদের নীচে দেশি-বিদেশি পন্যে সমাহার নিয়ে আসা। যাতে ক্রেতা ও বিক্রেতারা নিজেদের উৎপাদিত পণ্যে সঙ্গে বিদেশীদের উৎপাদিত পন্য গুণগত মান সর্ম্পকে ধারনা পেতে পারে। এছাড়া ক্রেতা দর্শনার্থীরা স্টল ঘুরে ঘুরে দেশের উৎপাদিত পণ্যের সঙ্গে বিদেশীদের উৎপাদিত পণ্যের মান। দেশীয় পন্য যে গুনতম মান সম্পন্œ হয় সেটি তুলে ধরছে ইপিবি। আমার মনে করি, এই মেলার মধ্যে দেশীয় পণ্য উৎপাদিনকারি বিদেশীদের সাথে প্রতিযোগিতা করে বিশ্ববাজারে তাদের পণ্য রপ্তানি করতে পারে। রোববার (১৮ জানুয়ারি) বিকালে বাংলাদেশ চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে আয়োজিত বাণিজ্য মেলা ঘুরে দেখাযায়, প্রায় প্রতিটি স্টলেই পন্যে বেচাকেনার জন্য ১০ শতাংশ থেকে ২৫ শতাংশ ছাড়া দিয়েছে। আর শীতের পোষাকের স্টলগগুলোতে চলছে ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ ছাড়। যে কারণে ছাড় দেওয়া স্টলগুলোতে বেশ ভিড়। বিশেষ করে খাদ্যপণ্যে যেমন প্রাণ আরএফএল ও নাবিস্কো কোম্পানি তাদের লুডুস , বিস্কেটসহ বিভিন্ন আইটেমে প্যাকেজ ছাড়া দিয়েছে। আরও পড়ুন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী আজরাজধানীর বাড্ডা থেকে স্বামী সন্তান নিয়ে মেলায় এসেছেন শাহনাজ বেগম। তিনি বলেন, মাসব্যাপী মেলার বাকি আছে আর মাত্র ১০-১১ দিন। এই সময়ে মুলত স্টল, প্যাভিলিয়নগুলোতে বিশেষ ছাড় দেয়। সেই সুযোগ নিতেই পরিবারে জন্য প্রয়োজনীয় বেশ কিছু পন্য ক্রয় করতে এসেছে। তিনি বলেন, ক্রোকারিজ, প্লাস্টিক, মেলামাইন পলিমারসহ কয়েকটি আইটেমের পণ্য ক্রয় করেছি। ঘুরঠি আরও কিছুৃ পণ্য ক্রয় করব। রাজধানী নবাবপুর থেকে আত্মীয় স্বজনের সঙ্গে মেলায় এসেছেন সিনথিয়া, রেহনুমা বেগম, সাজেদা আক্তারসহ বেশ কয়েকজন। তারা জানান, মেলায় এসেছি সংসারের জন্য কিছু পণ্য কিনতে। বিশেষ করে গ্যাসের সংকটের কারণে ইলেট্রিক চুলা, প্রেসার কুকার, হটপটসহ অনেক পণ্য ক্রয় করেছি। পোষাকসহ আরও কিছু পণ্য ক্রয় করার জন্য স্টলে স্টলে ঘুরছি। আজ সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস হওয়ায় মেলায় পরিবার পরিজন নিয়ে স্বাছন্দে ঘুরে কেনাকাটা করতে পারছি।
সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত