প্রিন্ট এর তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জানুয়ারি ২০২৬
খোকন দাস হত্যাকাণ্ডে থমকে গেল ২০ বছরের ব্যবসা পরিবারে নেমেছে অন্ধকার
সংবাদ দিগন্ত ||
প্রায় ২০ বছর আগে শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার কেউরভাঙা বাজারে একটি ছোট ওষুধের দোকান খুলেছিলেন খোকন চন্দ্র দাস। পরে বাড়তি আয়ের আশায় সেই দোকানের ভেতরেই শুরু করেন মোবাইল ব্যাংকিংয়ের ব্যবসা। ওই দোকানের আয়ের ওপর নির্ভর করেই বৃদ্ধ বাবা, স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে স্বাচ্ছন্দ্যে চলছিল তার সংসার।কিন্তু খোকন চন্দ্র দাস নিহত হওয়ার পর পরিবারটিতে দোকানটি চালানোর মতো আর কেউ নেই। বন্ধ হয়ে গেছে একমাত্র আয়ের উৎস। একদিকে নিরাপত্তাহীনতা, অন্যদিকে চরম আর্থিক অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে দিশাহারা হয়ে পড়েছেন তার স্ত্রী সীমা দাস।খোকন চন্দ্র দাস ডামুড্যা উপজেলার তিলই গ্রামের পরেশ চন্দ্র দাসের ছেলে। গত বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ডামুড্যার কনেশ্বর ইউনিয়নের তিলই এলাকায় দুর্বৃত্তরা তাঁকে কুপিয়ে ও শরীরে পেট্রলজাতীয় তরল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। গুরুতর অবস্থায় তাঁকে ঢাকায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার সকালে তিনি মারা যান।আরো পড়ুন , সার সংকটের কবলে কুমারখালীর পিঁয়াজ চাষিরাএ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে কনেশ্বর এলাকার বাবুল খানের ছেলে সোহাগ খান (২৮), সামছুদ্দিন মোল্যার ছেলে রাব্বি মোল্যা (২৪) ও শহীদ সরদারের ছেলে পলাশ সরদার (২৫)–এর বিরুদ্ধে ডামুড্যা থানায় মামলা করা হয়। বৃহস্পতিবার রাতে খোকন দাসের বাবা পরেশ চন্দ্র দাস বাদী হয়ে মামলাটি করেন। শনিবার গভীর রাতে র্যাব কিশোরগঞ্জ থেকে তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করে।কান্নাজড়িত কণ্ঠে সীমা দাস বলেন, ‘শ্বশুরই মামলার বাদী। এখন সব সময় ভয় নিয়ে থাকতে হচ্ছে। মামলা তুলে নেওয়ার জন্য আবার চাপ আসবে কি না জানি না। সংসার চালানোর একমাত্র জায়গা ছিল এই দোকানটা। সেটাও বন্ধ। বড় ছেলে বিদেশে, সেখানেও আয় করতে পারছে না। জানি না কীভাবে সন্তান আর শ্বশুরকে নিয়ে চলব।
সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত