প্রিন্ট এর তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫
জুমার দিনের দোয়া কবুলের বিশেষ সময়
ডেস্ক ||
শুক্রবার বা জুমার দিনের একটি বিশেষত্ব হলো এই দিনের এমন কিছু মুহূর্ত রয়েছে, যখন আল্লাহর কাছে যে কোনো দোয়া কবুল হয়। সহিহ বুখারিতে বর্ণিত একটি হাদিসে রাসুল (সা.) বলেছেন, জুমার দিন এমন একটি মুহূর্ত রয়েছে, কোন মুসলিম বান্দা যদি এ সময় নামাজে দাঁড়িয়ে আল্লাহ্র কাছে কিছু চায়, তা হলে তিনি তাকে অবশ্যই তা দান করেন। (সহিহ বুখারি)হযরত আবু হোরায়রা (রা.) আব্দুল্লাহ ইবনে সালাম (রা.), ইমাম আহমদসহ (রহ.) বেশিরভাগ সাহাবি ও আলেমের মত হলো জুমার দিন দোয়া কবুলের বিশেষ সময় আসরের পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত। জাবের ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণিত রাসুল (সা.) বলেছেন, জুমার দিন এমন বারোটি মুহূর্ত রয়েছে, এমন কোন মুসলিম বান্দা পাওয়া যাবে না, যে ওই মূহূর্তগুলোতে আল্লাহর কাছে কোন কিছু চাইবে, কিন্তু তাকে তা দেওয়া হবে না। তোমরা ওই মূহূর্তগুলোকে আসরের পর শেষ সময়ে অনুসন্ধান কর। (সুনানে নাসাঈ)আরও পড়ুন, আজকের নামাজের সময়সূচি: ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫আবদুল্লাহ ইবনে সালাম (রা.) বলেন, একদিন রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বসে ছিলেন। আমি বললাম, আমরা আল্লাহ্র কিতাবে জুমার দিনের এমন একটি মুহূর্ত সম্পর্কে আলোচনা পেয়েছি যে মুহূর্তে কোনো মুমিন বান্দা নামাজরত অবস্থায় আল্লাহ্র কাছে কিছু প্রার্থনা করলে তিনি তার প্রয়োজন পূরণ করেন। আবদুল্লাহ বলেন, আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার দিকে ইশারা করে বললেন, সামান্য কিছু সময়। আমি বললাম, আপনি যথার্থই বলেছেন, সামান্য সময়ই। আমি বললাম, সেই মুহূর্ত কোনটি? তিনি বললেন, সেটি হলো দিনের শেষ মুহূর্ত। আমি বললাম, তা তো নামাজের সময় নয়। তিনি বললেন, মুমিন বান্দা এক নামাজ শেষ করে বসে অন্য নামাজের প্রতীক্ষায় থাকলে সে নামাজের মধ্যেই থাকে। (সুনানে ইবনে মাজা)তাই শুক্রবার আসরের পর আল্লাহর কাছে দোয়ায় নিরত থাকা উচিত। নিজের অভাব, অভিযোগ আল্লাহর কাছে তুলে ধরা উচিত। গুনাহের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা উচিত। আশা করা যায় আল্লাহ আমাদের দোয়া কবুল করবেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত