প্রিন্ট এর তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫
চট্টগ্রামে সোয়া দুই কোটি টাকার ইয়াবা উধাও
সংবাদ দিগন্ত ||
কক্সবাজার আদালতের এক নারী বিচারকের গানম্যান পুলিশ কনস্টেবল ইমতিয়াজ হোসেন ৯০ হাজার পিস ইয়াবাসহ হাতেনাতে ধরা পড়েও কীভাবে ছাড়া পেলেন এবং উদ্ধার হওয়া ইয়াবার ভাগ কাদের পকেটে ঢুকেছে-এ নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। সোমবার যুগান্তরে সংবাদ প্রকাশের পর চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) ও কক্সবাজার জেলা পুলিশ ছাড়াও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন সংস্থা এ বিষয়ে কাজ শুরু করেছে। মঙ্গলবার স্বপ্রণোদিত হয়ে একটি পৃথক ‘মিস কেস’ নথি খুলেছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এসএম আলাউদ্দিন মাহমুদ। একজন উপ-পুলিশ কমিশনারকে এ বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন এই আদালত।যদিও সিএমপির বাকলিয়া থানা পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, নগরীর নতুন ব্রিজ এলাকার চেকপোস্টে প্রতিবেদনে উল্লেখিত সময়ে কাউকে আটক করা হয়নি এবং ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনা ঘটেনি। আরো পড়ুন , কুড়িগ্রামে তীব্র শীত হিম বাতাসে স্থবির জনজীবনপুলিশ সদস্যের কাছে ইমতিয়াজের স্বীকারোক্তি : এক ‘বড় ভাই’ সম্বোধন করা পুলিশ সদস্যের কাছে ইমতিয়াজ হোসেন স্পষ্টভাবে স্বীকার করেছেন, বাকলিয়া থানার পুলিশ সদস্যরা তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর এ ধরনের মাদক পাচারের সঙ্গে আর কখনো জড়িত না থাকার শর্তে তাকে ছেড়ে দেন। একই সঙ্গে বিষয়টি যেন কখনো কারও সঙ্গে শেয়ার না করা হয়, সে শর্তও দেওয়া হয়েছে। ইমতিয়াজ ওই পুলিশ সদস্যের কাছে বলেন, গত ৮ ডিসেম্বর রাতে তিনি ‘দেশ ট্রাভেল’ পরিবহণের একটি হুন্দাই গাড়িতে কক্সবাজার থেকে ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। সোমবার রাত প্রায় ২টার দিকে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী ব্রিজের টোলপ্লাজা পার হওয়ার পর চট্টগ্রামের বাকলিয়া থানার চেকপোস্টে গাড়িটি থামানো হয়। পরে তাকে (ইমতিয়াজকে) গাড়ি থেকে নামিয়ে ব্যাগসহ তল্লাশি করা হয়। রাত প্রায় সোয়া ২টার দিকে পুলিশ বক্সে নিয়ে এসআই মো. আল আমিনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল তার ব্যাগ তল্লাশি করে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত