প্রিন্ট এর তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫
শীতের আগমনে লালপুরে জমে উঠেছে লেপ-তোশকের ব্যবসা
মোঃ আইয়ুব আলী, লালপুর, নাটোর প্রতিনিধি: ||
নাটোরের লালপুরে দিনের বেলায় রোদের হালকা উষ্ণতা থাকলে ও সন্ধ্যা নামতেই বইছে হিমেল হাওয়া। রাত্র ও ভোরের কনকনে ঠান্ডার প্রকৃত জানায় দিচ্ছে শীতের আগমন। শীত শুরু হতেই লালপুরে বেড়েছে লেপ, তোষক, জাজিম, কম্বলের চাহিদা, এই চাহিদাক ঘিরে ব্যস্ত সময় পার করছেন লেপ তোশকের কারিগর ও ব্যবসায়ীরা। লালপুর, গোপালপুর, দয়ারামপুর দেখা যায় প্রতি দোকানে চলছে তুলা ঝাড়া, সেলাই আর প্যাকেজিং এর কাজ। আগে যেখানে এক দুই জন শ্রমিক কাজ করতেন, এখন বাড়তি অর্ডার সামলাতে ৩-৪ জন একসঙ্গে কাজ করছেন। গোপালপুরের ব্যবসায়ীক মনি খান জানাই রোদের তাপ কমলে শীতের প্রকোপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে লেপ তোষকের বিক্রয় বাড়বে, তবে কাপড়ের দাম কিছুটা বৃদ্ধি পাওয়ার লেপ তোষকে তৈরীর খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে। কারিগর রিপন ও কবির জানাই ব্যস্ত এই মৌসুমে সকাল থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত টানা কাজ করতে হয়। ২২ বছর ধরে লেপ তোশাক তৈরি সঙ্গে যুক্ত কারিগর বলেন সারা বছর কম বেশি কাজ হয়, তবে শীতের সময় বেশি কাজ করতে হয়। দিনে ১৫ থেকে ২০টি লেপ তৈরি করা হয়, আয় বেশি সংসার চালানো কষ্ট হয়, শিখেছি তাই বাধ্য হয়ে কাজ করছি। ব্যবসাইরা জানান সব ধরনের পণ্যের দাম বাড়ায় লেপ তোশাক উপকরণের খরচ বৃদ্ধি হয়েছে কিছুটা। আরও পড়ুন, আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস ও জাতীয় প্রবাসী দিবস উপলক্ষে র্যালি ও আলোচনা সভাএই মৌসুমে লেপ তৈরির প্রতি গজ কাপড়ের দাম ৫০টাকা থেকে ৬০ টাকা, জাজিম ১২০ টাকা থেকে ১৫০টাকা বিক্রি হচ্ছে, প্রকার ভেদে গার্মেন্টসের তুলা প্রতি কেজি ৫০ থেকে ১০০ টাকা এবং শিমুলের তুলা ৩০০থেকে ৫০০ টাকা বিক্রয় হচ্ছে।জুটের দাম প্রতি কেজি ৩০ টাকা থেকে ৪০ টাকা, তুলা দাম প্রকারে ভেদে ২০ থেকে ১০০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে রেডিমেড লেপ বিক্রি হচ্ছে ৯০০টাকা থেকে ১৫০০ টাকা, জাজিম ২৫০০ টাকা থেকে ৪ হাজার টাকা। শীত বাড়াতে জমে উঠেছে লেপ তোষকের ব্যবসা । কাপড়ের দাম কিছুটা বাড়াই লেপ তোশাক তৈরি খরচও বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে দাম বাড়ায় খরচ হার বেড়েছে, শীত মৌসুম ঘিরে আশায় বুক বেঁধে আছে লালপুর ব্যবসায়ীরা।
সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত